জাপানে ১০ টি উপায়ে যাওয়ার সম্পূর্ণ গাইড ২০২৬


জাপান যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কিন্তূ কিভাবে যাবে জাপান যেতে কত টাকা লাগে জানেন না। এবং জাপান যেতে কি কি যোগ্যতা লাগে এই বিষয়বস্তু বিস্তারিত জানতে পারবেন এখানে। 
জাপানে ১০ টি উপায়ে যাওয়ার সম্পূর্ণ গাইড ২০২৬

জাপানে অনেক ভিসায় যাওয়া যায় যেমন স্টুডেন্ট ভিসায় বা কাজের ভিসায় যাওয়া যায়। অনেকেই টেম্পোরারি ভিজিটর ভিসায় যে থাকেন । তাই যারা জাপান যেতে চান কিন্তু জাপান যেতে কি রকম খরচ হবে জানেন না তারা শেষ পর্যন্ত পড়ুন। এই কন্টেনে বিস্তারিত খরচ সম্পর্কে জানতে পারবেন।

পেচ সূচিপত্র: জাপানে ১০ টি যাওয়ার সম্পূর্ণ গাইড ২০২৬

কাজের ভিসা: (work visa)

প্রফেশনাল ওয়ার্ক ভিসা প্রকৌশলী engineer: ডেভেলপমেন্ট, মানবসম্পদ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা আছে তারা প্রফেশনাল ওয়ার্ক ভিসায় যেতে পারবেন।

নির্দিষ্ট দক্ষ কর্মী: specified skilled worker -ssw: অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মীরা বড় বড় প্রতিষ্ঠান বা শিল্প ক্ষেতে চাকরির জন্য যেতে পারবেন।

ট্যালেন্ট ও দক্ষ পেশাজীবী highly skilled professional: বিশেষ করে যাদের ইঞ্জিনিয়ারিং দক্ষতা বা সফটওয়্যার দক্ষতা রয়েছে। তারাই ওয়ার্ক ভিসায় বা কাজের ভিসাইযেতে পারবেন।

পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণ ভিসা (study and training)

বাংলাদেশ থেকে জাপানে পড়াশোন ও প্রশিক্ষণ নিতে স্টুডেন্ট ভিসা ও ট্রেনিং ভিসা যেতে পারবেন।
  • স্টুডেন্ট ভিসা Student visa: বাংলাদেশ থেকে জাপানে পড়াশোনা করার জন্য স্টুডেন্ট ভিসায়। আপনি বিশ্ববিদ্যালয়, উচ্চমাধ্যমিক, ভোকেশনাল, স্কুল, ও মাধ্যমিক পড়াশোনা করার জন্য জাপান ভিসা দিয়ে থাকে। জাপানে পড়াশোনার জন্য ভিসার আবেদন সাধারণত সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেয়া হয়। আর সঠিক সময়ের মধ্যে আবেদনপত্র সম্পূর্ণ করে জমা দিতে হয় ।
  • ট্রেনিং ভিসা trainee: জাপানে প্রযুক্তি, টেকনিশিয়াল, বিষয়ে দক্ষতা এবং বিশেষ জ্ঞান অর্জন করার জন্য জাপানের সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেনিং ভিসা দিয়ে থাকেন।

পারিবার দীর্ঘ মেয়াদী ভিসা (residence)

জাপানে পরিবার আত্মীয়-স্বজন এবং বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে দীর্ঘ সময় থাকতে পারবেন। তার পাশাপাশি পড়ালেখা জব এবং অন্যান্য কাজের জন্য বারবার এই দীর্ঘমেয়াদী ভিসায় যেতে পারবেন।
 
তবে জাপানের প্রতিপক্ষের আদেশক্রমে তাদের আইন অনুযায়ী ৯০ দিনের বেশি থাকতে পারবেন না। আইন এবং নীতি মেনে পারিবার িক দীর্ঘমেয়াদী ভিসা যাওয়া যাই 

টেম্পোরারি ভিজিটর ভিসা (Tomorary visitor)

টেম্পোরারি টুরিস্ট ভিসায় জাপান যাওয়ার জন্য। তাদের আইনশৃঙ্খলা বৃদ্ধি পেয়ে তাদের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র প্রস্তুত করে জাপান টেম্পোরারি বা টুরিস্ট ভিসার জন্য VFS Global এর মাধ্যমে আবেদন করা যায়। 
বাংলাদেশ থেকে জাপানে টেম্পোরারি ভিজিটর বাটুল কিছু চাই যাওয়ার জন্য যা যা কাগজপত্র লাগে সেগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো। 
  • পাসপোর্ট: কমপক্ষে আর থেকে ৮ থেকে ১০ মাসের বেশি মেয়াদে পাসপোর্ট থাকতে হবে।

আবেদন ফরম

 সঠিক নিয়মে আবেদন ফরম পূরণ করে ভিসা অফিসে আবেদন ফরম জমা দিতে হবে। এবং নিষ্ঠুর সাইজের বা পাসপোর্ট সাইজের ছবি অবশ্যই থাকতে হবে। 
  • টিকিট ও হোটেল বুকিং: জাপান যাওয়া আসা করার জন্য নিশ্চয়ই বিমান টিকিটের স্লিপ এবং হোটেল বুকিং এর কাগজপত্র ঠিকমতো করে গুছিয়ে রাখতে হবে।
  •  
  • পেশাগত প্রমাণ: জাপানে থাকার জন্য। চাকরিজীবীদের এনওসি NOC ও আইডি কার্ড , এবং ব্যবসায়িকদের জন্য ট্রেড লাইসেন্স , আর ছাত্র ছাত্রী হলে আইডি কার্ড ও লিভ লেটার। 

  • আবেদন প্রক্রিয়া: জাপানি যাওয়ার আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় সব আলতাপত্র ঠিকঠাকভাবে গুছিয়ে নিতে হবে। এবং VFS Global এর মাধ্যমে আবেদন ফরম বা এপয়েন্টমেন্ট লেটার বুক করতে হবে। আর নির্ধারিত দিনে VFS অফিসে যাওয়ার পর আপনার ফাইল জমা দিয়ে বাংলাদেশি দের জন্য।

  • প্রফেশনাল বা সাধারণ ওয়ার্ড ভিসা 
  • প্রফেশনাল বা সাধারণ ওয়ার্ক ভিসা জাপানে অনেক চাহিদা ও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। সাধারণত ওয়ার্ল্ড স্টুডেন্ট বা ফ্যামিলি রিটার্ন ইত্যাদি দীর্ঘমেয়াদী ভিসা সরাসরি জার্মানি এম বি বি এস সি ঢাকা অনলাইন সিস্টেম থেকে অপেন বুক করা হচ্ছে।

    প্রফেশনাল বা সাধারণ ওয়ার্ড ভিসায় বাংলাদেশ থেকে জাপান যেতে চাইলে একটি ভালো ভিসায়ী দিদির সাথে যোগাযোগ করতে হবে এবং ভিসা আবেদন করতে হবে। প্রথম পর ভাষা শিক্ষার কোর্স করতে হবে

     এবং কাজের ভিসার ক্ষেত্রে স্কিল ডেভেলপমেন্ট থাকতে হবে অর্থাৎ কাজের প্রমাণ দিতে হবে।
     কিছু কিছু ভিসার ক্ষেত্রে পরীক্ষার আসবাবপত্র অত্যন্ত ভূমিকা পালন করে।

    এছাড়াও প্লেনের টিকিট কেটে জাপানে থাকার জন্য বাসা ভাড়া নিয়ে সেটির কাগজপত্র প্রফেশনাল বা সাধারণ ওয়ার্ক ভিসার ক্ষেত্রে আবেদন করতে হবে।

    ওয়ার্ক পারমিট  ভিসা 

    ওয়ার্ক পারমিট ভিসা মূলত আবেদনকারী বা কাজের কাজের ধরন এবং শিক্ষা যোগ্যতার ওপর নির্ভর করে।

    বর্তমান সময়ে ক্যারিয়ার গড়ার এবং জীবন যাত্রার আশায় বিদেশ পাড়ি জমানোর মানুষের সংখ্যা দিন দিন অনেক বাড়ছে। তবে বিদেশ যাওয়ার কথা ভেবেই প্রথম যে বিষয় মাথায় আসে তা হচ্ছে ভিসা। তবে আপনি কি জানেন একটি টুরিস্ট ভিসা নিয়ে বিদেশে আইনগতভাবে কখনো থাকা সম্ভব হয় না। 

    কেননা যে কোন দেশের বৈধভাবে থাকার জন্য বা কাজ করতে চাইলে গুরুত্বপূর্ণ যে ডকুমেন্টারি প্রয়োজন হয় তা হল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা। ২০২৬ সালে বিশ্বজুড়ে ওয়ার্ক ফরমেট ভিসার অনেক আগ্রহে বেড়েছে

     জাপানে ওয়ার্ক পারমিট পরিমাণের নিয়ম-কানুন আরো কঠোর ও ডিজিটাল করেছে। কেননা ওয়াইফ পারমিট সম্পর্কে প্রতিটি খুঁটিনাটি তথ্য আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

    অ্যাডভান্স প্রফেশনাল ভিসা 

    এডভান্স প্রফেশনাল ভিসা (Advance professional visa) জাপানের হাইলি স্কিল যা উচ্চ দক্ষ পেশাজীবী, তাদের জন্য অ্যাডভান্স প্রফেশনাল ভিসা। 
    ইতিমধ্যে এখানে বলা হয়েছে যে জাপানে অ্যাডভান্স প্রফেশনাল ভিসা হাইলি স্কিল তবে কেয়ার ডিমটাস্টিয়াল ও টেকনিক্যাল গ্রুপে অনেক চাহিদা সম্পূর্ণ রয়েছে। 

    পর কথা 

    জাপান যাওয়ার জন্য কি কি যোগ্যতা লাগে এবং জাপান যাওয়ার কত ধরনের উপায় আছে । আরো কাজের ভিসা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যবহুল আলোচনা করা হবে ।
     এছাড়াও প্রশ্নতো সেকশন থেকে বিভিন্ন প্রশ্ন উত্তর জানতে পারবেন। 

    আপনাদের করা বিভিন্ন প্রশ্ন উত্তর 

    • জাপান যেতে কত টাকা লাগে: জাপান যেতে ৭ থেকে ৯ লাখ টাকা লাগে। তবে এজেন্সির মাধ্যমে গেলে কমবেশি হতে পারে। 
    • জাপান যেতে কত বছর সময় লাগে: জাপান যাওয়ার জন্য বিভিন্ন রকমের ভিসা আছে এক একটা ভিসার একেক রকম সময় লাগে । সেটা নির্ভর করে আপনার যাওয়ার উপরে। 
    • জাপানি কি কাজের চাহিদা বেশি: জাপানে সাধারণত ইলেকট্রিশিয়ান, জাহাজ নির্মাণ কারী, কৃষি খামার ও ব্যবস্থাপক, বৈদুতিক ইলেকট্রিক সরঞ্জাম এই সব ধরনের কাজের চাহিদা দিন দিন অনেক বাড়ছে। 

    এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

    পরবর্তী পোস্ট দেখুন
    এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
    মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

    অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

    comment url